‘বাল্যবিবাহ ও শিশুশ্রম’ নিয়ে ডকুমেন্টারি নির্মাণে ব্যস্ত নির্মাতা ও ফটোগ্রাফার রাকীব হায়দার

১১২

টেলিভিশন নাটকে দীর্ঘদিন সহকারী পরিচালক হিসেবে কাজ করার পর বর্তমানে তরুণ র্নিমাতা হিসেবে ইতোমধ্যেই টিভি নাটক, বাণিজ্যিক বিজ্ঞাপন, ডকুফিল্ম ও টেলিফিল্ম নির্মাণে দক্ষতার স্বাক্ষর রেখেছেন সাতক্ষীরার সন্তান রাকিব হায়দার। এই মুহুর্তে তিনি ব্যস্ত রয়েছেন একটি বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থার প্রযোজনায় বাল্যবিবাহ ও শিশুশ্রম এর মতো সামাজিক ব্যাঁধি নিয়ে যুগোপযোগী সচেতনতামূলক ডকুমেন্টরি নির্মাণের কাজে। সাভারের বংশী নদীর তীরবর্তী এলাকায় ডকুমেন্টারি দু’টির কিছু অংশের সুটিং ও সম্পন্ন করেছেন। আর স্বপ্নের এ ক্যারিয়ারে নিজে নির্দেশনা প্রদানের পাশাপাশি সিনেমাটোগ্রাফার ও স্টিল ফটোগ্রাফার হিসেবেও পারদর্শিতার নিদর্শন রেখে বেশ প্রশংসিত হচ্ছেন তিনি। এ প্রসঙ্গে জিজ্ঞেস করলে রাকীব হায়দারদার হাসিমুখেই উত্তর দেন- “টেলিভিশন মিডিয়াতে আমার ক্যারিয়ার শুরু হয় নাট্যনির্মাতা ও অভিনেতা গুরু জি.এম সৈকত এর সহকারী পরিচালক হিসেবে কিন্তু এর আগে থেকেই ফটোগ্রাফির প্রতি আমার একটি বিশেষ আগ্রহ ছিল, সুযোগ পেলেই আমি নিজে পোজ দিয়ে ছবি তোলা ও অন্যের ছবি তুলে দেয়ার কাজে ব্যস্ত থাকতে পছন্দ করতাম। বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠ ও পেশাগত কাজের ফাঁকে ফটোগ্রাফির ওপর প্রাতিষ্ঠানিক কোর্সও করে ফেলি, যার সুফল বর্তমানে ভোগ করছি।

আমরা নির্মাতারা সাধারণত টেকনিক্যাল পারসনদের ওপর খুব করে নির্ভরশীল থাকি লাইট, ক্যামেরা ও প্রোডাকশনের অন্যান্য কাজের ব্যাপারে আর এটা খুবই সঙ্গত ও স্বাভাবিক বিষয়। কারণ নির্দেশনার মত একটি সংবেদনশীল গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে পরিপূর্ণ মনোযোগ দিতে গেলে অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে পেশাদার কলাকুশলীদের ওপর নির্ভর না করে উপায় নেই। এ সত্বেও একটি বিষয় আমি গভীরভাবে অনুধাবন করেছি যে, দক্ষ ক্যামেরা ক্রুদের মাঝে একজন পেশাদার ডিওপি থাকেন যাকে আমাদের দেশে সাধারণত ক্যামেরারম্যান হিসেবে ধরা হয় যিনি মূলত নির্মাতার চাহিদা মাফিক ক্যামেরার ফ্রেম ধরে শট নিয়ে থাকেন, এই ব্যক্তিটির কাজ যদি একজন নির্মাতা সক্ষমতা থাকা সাপেক্ষে নিজে করতে পারেন তাহলে ফ্রেমিং ও শট নির্মাতা খুব সহজেই নিজের মত পেয়ে যাবেন এবং এতে করে সুটিং এর কাজে গুরুত্বপূর্ণ অনেকটা সময় বেঁচে যাবে। আর ঠিক একারণেই আমার দক্ষতার কল্যাণে আমি নির্দেশনা ও সিনেমাটোগ্রাফি-ফটোগ্রাফির কাজ একসাথে করতে পারছি”। নতুন আর কোন কাজ হাতে আছে কিনা এমন প্রশ্নের জবাবে কৌশলী রাকীব বলেন- কাজ তো করে চলেছি, মহান আল্লাহ সহায় হলে সময়ের সাথে সাথে কাজ আরও করার সুযোগ হবে, আর কাজ করলে তো আপনারাসহ দেশবাসী জানতে পারবে; আমার জন্য দোয়া করবেন।

- Advertisement -

এই বিভাগের আরও সংবাদ