লাখ লাখ লিটার তেল আটক হলেও, নেই মামলা

৯৪

ভোক্তা অধিকারের অভিযানে হাজার থেকে লাখো লিটার তেল আটক হলেও, ফৌজদারি এই অপরাধে একটিও মামলা হয়নি। প্রয়োগ করা হয়নি মজুদদার ও কালোবাজারি আইন। শুধুমাত্র নামমাত্র জরিমানাতেই দায় সারছে জাতীয় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তর। আর এতে করে ফলে গুরুতর অপরাধের পরও ছাড় পেয়ে যাচ্ছেন মজুদকারীরা। তবে, ভোক্তা অধিকার জানিয়েছে, মামলা করার চিন্তা ভাবনা চলছে। অন্যদিকে আইনবিদরা দাবি জানিয়েছেন, মজুদদার ও কালোবাজারি আইন সংশোধনের। তেলের বাজারে চলছে ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের অভিযান। অসাধু ব্যবসায়ীদের গুদাম থেকে বেরিয়ে আসছে অবৈধভাবে মজুদ করা লাখ লাখ লিটার তেল।

কিন্তু গুরুতর এই অপরাধে সর্বোচ্চ দুই লাখ টাকা জরিমানা করেই যেনো দায়িত্ব শেষ করছে এই সংস্থা। এনিয়ে প্রশ্নও তুলেছেন দেশের জ্যেষ্ঠ আইনজীবীরা। অথচ ১৯৭৪ সালের বিশেষ ক্ষমতা আইনে, মজুদদার ও কালোবাজারির অপরাধে সর্বোচ্চ শাস্তি মৃত্যুদ- ও যাবজ্জীবন কারাদ-ের বিধান রয়েছে। কিন্তু লাখ লাখ লিটার তেল উদ্ধারের পরও এই আইনের প্রয়োগ হচ্ছেনা। এর মধ্য দিয়ে মজুদদার সিন্ডিকেটকে আইনি ছাড় দেয়া হচ্ছে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

- Advertisement -

ভোক্তা অধিকার আইনে জরিমানা ছাড়া অন্য ব্যবস্থা নেয়ার বিধান নেই। তাই, আইনবিদের দাবি, মজুতদারি বন্ধে আইন সংশোধনের পাশাপাশি মাঠে থাকতে হবে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে। তবে মজুতদারদের বিরুদ্ধে এখন মামলা করার কথা ভাবা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন ভোক্তা অধিকারের মহাপরিচালক এ এইচ এম শফিকুজ্জমান। অবৈধভাবে মজুদ করা লাখ লাখ লিটার তেল উদ্ধার হলেও অভিযান বন্ধের দাবি জানাচ্ছে এফবিসিসিআই। এ দাবিকে সম্পূর্ণ অনৈতিক ও গণবিরোধী বলছে ভোক্তাদের সংগঠন ক্যাব। প্রতিযোগিতা কমিশনকে আরও শক্তিশালী করা হলে ভোগ্য পণ্যের দাম নিয়ে এমন কারসাজি কমবে বলে মনে করছেন তারা।

এই বিভাগের আরও সংবাদ