হজ প্যাকেজ ঘোষণা হাবের

৯০

এ বছর বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় হজযাত্রীদের সর্বনিম্ন প্যাকেজ মূল্য ৪ লাখ ৬৩ হাজার ৭৪৪ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (১২ মে) রাজধানীর নয়াপল্টনে সংবাদ সম্মেলনে এ হজ প্যাকেজ ঘোষণা করে হজ এজেন্সিস অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ (হাব)।

- Advertisement -

এর আগে বুধবার (১১ মে) হাব সভাপতি এম শাহাদাত হোসাইন তসলিম জানান, এয়ারলাইন্সগুলোকে প্রতি বছরই হজযাত্রী পরিবহনের জন্য ডেডিকেটেড ফ্লাইটের টাকা দেয়া হয়। কিন্তু তারা শিডিউল ফ্লাইটেও হজযাত্রী পরিবহন করে থাকে। এবার এয়ারলাইন্সগুলোকে ডেডিকেটেড ফ্লাইটে হজযাত্রী পরিবহন করার কথা বলা হয়েছে।

গতকাল ধর্ম মন্ত্রণালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে ধর্ম প্রতিমন্ত্রী ফরিদুল হক খান চলতি বছর সরকারি ব্যবস্থাপনায় হজ প্যাকেজ ঘোষণা করেন। এ বছর দুটি হজ প্যাকেজের প্রস্তাব করা হয়।

প্রতিমন্ত্রী জানান, এ বছর সরকারিভাবে দুটি প্যাকেজ ঘোষণা করা হলো। প্যাকেজ-১-এ হজে যেতে ৫ লাখ ২৭ হাজার ৩৪০ টাকা খরচ হবে। এ প্যাকেজের যাত্রীরা মসজিদুল হারামের ১,০০০ মিটার দূরত্বের মধ্যে থাকবেন। সর্বনিম্ন প্যাকেজ ৪ লাখ ৬২ হাজার টাকা (প্যাকেজ-২) নির্ধারণ করা হয়েছে। এ প্যাকেজের আওতায় হজযাত্রীরা মসজিদুল হারামের ১,৫০০ মিটারের মধ্যে অবস্থান করবেন।

তিনি বলেন, বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় হজযাত্রীদের জন্য ৪ লাখ ৫৬ হাজার ৫৩০ টাকার প্যাকেজ প্রস্তাব করা হয়েছে। তবে বেসরকারি ব্যবস্থাপনার হজ এজেন্সিগুলো সরকারি ব্যবস্থাপনার প্যাকেজ-১ ও প্যাকেজ-২-এর সঙ্গে মিল রেখে একাধিক প্যাকেজ ঘোষণা করতে পারবে।

ধর্ম প্রতিমন্ত্রী বলেন, আগামী ৮ জুলাই সৌদি আরবে পবিত্র হজ অনুষ্ঠিত হবে। দ্বিপাক্ষিক হজচুক্তি অনুযায়ী বাংলাদেশ থেকে এ বছর সরকারি ব্যবস্থাপনায় ৪ হাজার জন ও বেসরকারি ব্যবস্থাপনায় ৫৩ হাজার ৫৮৫ জনসহ সর্বমোট ৫৭ হাজার ৫৮৫ যাত্রী পবিত্র হজ পালনের জন্য সৌদি আরব যাওয়ার সুযোগ পাবেন।

হজযাত্রীর বিমান ভাড়া, সৌদি আরবের বাড়ি ভাড়া, সার্ভিস চার্জ, মুয়াল্লিম ফি, জমজমের পানি, খাবার খরচ এবং অন্যান্য ফি হিসাব করে ২০২২ সালের জন্য সরকারি ব্যবস্থাপনার দুটি প্যাকেজ এবং বেসরকারি ব্যবস্থাপনার এজেন্সিগুলোর জন্য একটি প্যাকেজের প্রস্তাব করা হয়েছে।

এছাড়াও হজযাত্রীদের কোরবানি বাবদ প্যাকেজ মূল্যের অতিরিক্ত ৮১০ সৌদি রিয়াল বা ১৯ হাজার ৬৮৩ টাকা পরিশোধ করতে হবে।

২০২০ সালের তুলনায় সরকারি ব্যবস্থাপনার প্যাকেজ-১-এর দাম বেড়েছে ১ লাখ ২ হাজার ৩৪০ টাকা এবং প্যাকেজ-২-এর দাম বেড়েছে ১ লাখ ২ হাজার ১৫০ টাকা।

দাম বাড়ার কারণ হিসেবে মন্ত্রী বলেন, ২০২০ সালে সৌদি রিয়ালের বিনিময় হার ছিল ২৩ টাকা। বর্তমানে এ হার ২৪ টাকা ৩০ পয়সা।

এটিও প্যাকেজ মূল্য বাড়ার অন্যতম কারণ। এছাড়া সৌদি আরবে সব খাতের ওপর ১৫ শতাংশ ভ্যাট, সার্ভিস চার্জ, কর অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। মোয়াচ্ছাছা-এর খরচ দ্বিগুণ হয়েছে। বাড়ি ভাড়াও বেড়েছে।

এই বিভাগের আরও সংবাদ