গাজার হাসপাতালগুলো যেন এক একটি গোরস্থান

গাজার হাসপাতাল

খুলনার সময়: সারা বিশ্বের নজর ইসরাইল ও ফিলিস্তীনিদের দিকে। প্রতিটি দিন প্রতিটি মুহুর্ত অতিবাহিত হচ্ছে আর ফিলিস্তীনিদের জীবন দেহ মৃত্যু পুরীতে পরিনত হচ্ছে। গাজা সীমান্ত ইসরাইলের অন্ততঃ তিন লাখ সেনা প্রস্তুত আছে। কয়েক লক্ষ ইহুদী সেনা ফিলিস্তীনিদের নির্মূল এবং নিশ্চিহৃ করনে অভিযান শুরু করেছে। হামাসের তৈরী করা সুবিশাল মুরদের দিকেই দৃষ্টি ইসরাইলের। পশ্চিমা মিডিয়ার খবরে বলা হয়েছে ইসরাইলের সেনারা বিমান হামলার পরিমান অনেকাংশে কমিয়ে দিয়েছে। কারন হামাস যোদ্ধারা ইসরাইলে অভিযান পরিচালনা করে যে সকল ইসরাইলী সামরিক ও বেসামরিক নাগরিকদের অপহরন করেছিল তাদেরকে গাজার সুরক্ষিত সুরদে রাখা হয়েছে যে কারনে বিমান হামলায় যুদ্ধ বন্দী তথা অপহৃত ইসরাইলের নাগরিকদের নিহত হওয়ার সম্ভাবনা থেকে যাচ্ছে। এদিকে একাধিক খবরে বলা হয়েছে ইসরাইলের বিমান হামলায় তাদেরই নাগরিকের মৃত্রু ঘটেছে আর হামাস ও যুদ্ধবন্দীদের মানব ঢাল হিসেবে ব্যবহৃত করছে। হামাসের হামলার পর থেকে ইসরাইলের নাগরিকদের মাঝে তীব্র ক্ষোভ বিরাজ করছে উক্ত ক্ষোভ দেশটির সরকারকেও তাড়িত করছে। বর্তমান সময়ে ইসরাইলের হামলায় হামাসের হাতে বন্দী থাকা ইসরাইলের নাগিরকদের মৃত্যুর ঘটনায় ইসরাইলের মাঝে তীব্র অসন্তোষ বিরাজ করছে।

বিভিন্ন মিডিয়ার খবরে বলা হচ্ছে ইসরাইল গাজা ভূ-খন্ডে হামলা হতে রেহাই পাচ্ছে না অজানার উদ্দশ্যে চলা নিরীহ ফিলিস্তীনিরাও। ঘরবাড়ী ছেড়ে চলা বাস্তচ্যুত নিজ ভূমিতে পরাধীন এব প্রতিনিয়ত ইসরাইলের আগ্রাসনের শিকার ফিলিস্তীনিরা চোখের সামনে দেখছে মৃত্যুদূত। গাজার প্রতিটি হাসপাতাল যেন এক একটি গোরস্থান, মৃত্যুপুরীতে পরিপূর্ণ। হাসপাতাল গুলোর মধ্যে লাশের স্থান সংকুলন না হওয়ার আইস প্যাকেটে রাখা হচ্ছে হতভাগ্য নিহত ফিলিস্তীনিরা। ইসরাইল ফিলিস্তীনির যুদ্ধের গতকাল ছিল নবম দিন, দুই পক্ষের নিহত প্রায় চার হাজারে পৌছেছে। ইসরাইলের নিরাপত্তা বাহিনীর সদস্যরা স্থল অভিযানে সরাসরি গুলি বর্ষনের করছে। তুমুল বিস্ফরন এবং উত্তেজনা কর পরিস্থিতির এই সময়গুলোতে ফিলিস্তীনি শিশুদের প্রতিবাদ বিশ্ববাসির দৃষ্টি কেড়েছে।ঃ ৮/১০ বছরের শিশুরা ইসরাইলের অত্যাধুনিক অস্ত্র ও সামরিক সরঞ্জাম বহনকারী সৈন্যদের সাথে তর্কে এবং প্রতিরোধে লিপ্ত হচ্ছে। মুসলমানদের পবিত্র মসজিদ আল আকসা মসজিদের ইমামকে হত্যার তালিকায় রেখেছে ইসরাইল বাহিনী এমন খবর প্রকাশ পেয়েছে। পশ্চিমা র্বিশ্ব ইসরাইলকে সমর্থন করছে এবং এই সর্থনে অস্ত্র সহ সামরিক সরঞ্জাম সরবরাহ মধ্যপ্রাচ্যের আরব দেশগুলো অবশ্য ফিলিস্তিনিদের পক্ষে অবস্থান নিয়েছে।

সৌদি আরবের মাঝে ইসরাইলের সম্পর্কে উন্নয়ন ও আলোচনা বিষয়টি অগ্রগামী হয়ে ছিল তা সৌদি আরবের পক্ষ হতে স্থগিত করা হয়েছে। ফিলিস্তীনিদের বিরুদ্ধে হত্যাকান্ড ও অভিযান পরিচালনা করেও স্বস্তি বা আশঙ্কামুক্ত কারন হামাস যে একক ভাবে ইসরাইলের অভ্রন্তরে হামলা পরিচালনা করছে তা নয় হিজবুল্লাহ ইসরাইলের উত্তরাঞ্চলে ক্ষেপনাস্ত্র হামলা চালাচ্ছে। ইসরাইলের উত্তরাঞ্চলে ক্ষেপনাস্ত্র হামলায় এক ইসরাইলী নিহত হয়েছে। ইসরাইল দৃশ্যতা সর্বদা এক ধরনের আতঙ্কে ভুগছে।

পোস্টটি ভালো লাগলে শেয়ার করে অন্যদের পড়ার সুযোগ করে দিন।

খুলনার সময়

একটি সৃজনশীল সংবাদপত্র

আমাদের ফেসবুক পেজ

আজকের দিন-তারিখ

  • সোমবার ,রাত ১১:৪২
  • ১৭ জুন, ২০২৪ খ্রিস্টাব্দ
  • ৩ আষাঢ়, ১৪৩১ বঙ্গাব্দ
  • ১১ জিলহজ, ১৪৪৫ হিজরি

আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন দিন