
৩১ মে ২০২৬ তারিখে দৈনিক জনতার খবর সহ বিভিন্ন পত্রপত্রিকা অনলাইন এবং আইডিতে “আশাশুনিতে অলিউর রহমানকে সৌদি আরবে ড্রাইভিং কাজের মিথ্যা প্রলোভনে ফেলে আপন মামার ভয়াবহ প্রতারণা শিরোনামে যে সংবাদটি প্রকাশ হয়েছে তা আমার দৃষ্টিগোচর হয়েছে। আমাকে নিয়ে যে কুরুচিপূর্ণ মিথ্যা বানোয়াট সংবাদ প্রকাশ করা হয়েছে সেটি আদৌ সত্য নয়। আমি সাতক্ষীরা আমিনিয়া মার্কেট মসজিদে দীর্ঘ ২৫ বছর ধরে ইমামতির দায়িত্ব পালন করে আসছি। আমাকে নিয়ে সম্প্রতি কিছু অনলাইন প্ল্যাটফর্ম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কুরুচিপূর্ণ, বিভ্রান্তিকর ও ভিত্তিহীন তথ্য প্রচারের অভিযোগ উঠেছে। অভিযোগে বলা হয়েছে, বিভিন্ন আইডি ও অনলাইন মাধ্যমে আমার ব্যক্তিগত ও সামাজিক অবস্থানকে প্রশ্নবিদ্ধ করতে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ছবি ও তথ্য ব্যবহার করা হয়েছে। এটি সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট ও মানহানিকর বলে আমি দাবি করি । আমি হাফেজ মো. আবুল বাশার সাতক্ষীরা আমিনিয়া মার্কেট মসজিদে দীর্ঘ প্রায় ২৫ বছর ধরে ইমামতির দায়িত্ব পালন করে আসছি। স্থানীয়ভাবে আমি একজন সুনামধন্য ধর্মীয় ব্যক্তিত্ব হিসেবে পরিচিত। পাশাপাশি আমি সাতক্ষীরা জেলা হাফেজ পরিষদের সঙ্গে যুক্ত থেকে ইমাম সমিতির গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বও পালন করে আসছি। সামাজিক ভাবে উদ্দেশ্য করে এ ধরনের অপপ্রচার করে আমার দীর্ঘদিনের সুনাম ও সামাজিক অবস্থান ক্ষুণ্ন করার অপচেষ্টা। প্রচারিত তথ্যের কোনো সত্যতা নেই এবং এটি সম্পূর্ণভাবে বিভ্রান্তিকর। এ ঘটনায় সংশ্লিষ্ট অনলাইন আইডি ও পেজগুলোর বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ এবং অপপ্রচার বন্ধে প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করাাছি। স্থানীয় আলেম ও এলাকাবাসীর একটি অংশও বিষয়টি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে বলেন, যাচাইবাছাই ছাড়া এমন তথ্য প্রচার সামাজিকভাবে নেতিবাচক প্রভাব ফেলছে। একটি পক্ষ সাংবাদিকদের ভুল বুঝিয়ে এমন সংবাদ প্রকাশ করিয়েছে। এর আমি তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।
প্রতিবাদকারী
হাফেজ মো:আবুল বাশার
ইমাম, সাতক্ষীরা আমিনিয়া মার্কেট মসজিদ, সাতক্ষীরা।